প্রকাশিত:
গতকাল

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফ্লোরিডায় আলোচনার আগে, ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি তার শক্তিশালী প্রধান স্টাফ আন্দ্রি ইয়েরমাকের পদত্যাগ ঘোষণা করেন। ইয়েরমাক ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রধান প্রতিনিধি ছিলেন। পদত্যাগের খবর আসে ইয়েরমাকের বাড়িতে দুর্নীতি তদন্তকারীদের তল্লাশির পর। দেশটির শক্তিশালী জ্বালানি খাতের কিকব্যাক কেলেঙ্কারিতে ১০০ মিলিয়ন ডলার অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি আবিষ্কৃত হওয়ায় জেলেনস্কির ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।
ফ্লোরিডায় ইউক্রেনীয় দলটিতে রয়েছে— আন্দ্রি হনাতভ , ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান; আন্দ্রি সিবিহা , পররাষ্ট্রমন্ত্রী; এবং রুস্তেম উমেরভ , নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান।
বৈঠকে আলোচনার মূল বিষয় হলো ট্রাম্প প্রশাসনের ২৮-পয়েন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার সংশোধনী , যা আগে রাশিয়ার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সমালোচিত হয়েছিল। প্রাথমিক পরিকল্পনায় পূর্ব ডনবাস অঞ্চল পুরোপুরি রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দেওয়া, ইউক্রেনের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করা, ন্যাটো যোগদান বন্ধ করা এবং ১০০ দিনের মধ্যে নির্বাচন বাধ্যতামূলক করা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে আলোচকরা বলছেন, নতুন ফ্রেমওয়ার্ক পরিবর্তিত হয়েছে, তবে বিস্তারিত এখনো স্পষ্ট নয়।
ট্রাম্প এই সপ্তাহে স্টিভ উইটকফ এবং সম্ভবত জ্যারেড কুশনার কে মস্কো পাঠাবেন পুতিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য। উইটকফ এবং কুশনার উভয়ই ট্রাম্পের মতোই রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এবং কূটনীতির নিয়মের চেয়ে চুক্তি বা ডিল করার পদ্ধতি বেশি মানেন। তারা ২০-পয়েন্টের একটি প্রস্তাবনাও প্রণয়ন করেছিলেন, যা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেছিল।
একই সময়, শনিবার কিয়েভ এবং আশেপাশের এলাকায় রাশিয়ান ড্রোন ও মিসাইল হামলায় কমপক্ষে ৩ জন নিহত এবং বহু আহত হয়।
জেলেনস্কি X-এ লিখেছেন, “ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল দ্রুত এবং কার্যকরভাবে যুদ্ধ শেষ করার পদক্ষেপ নির্ধারণে কাজ করবে।”